দুবাইয়ে সাধারণ ক্ষমা শেষ হওয়ার পর অবৈধদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে। সাধারণত, এই ধরনের অভিযানে অবৈধ অভিবাসী এবং আইন ভঙ্গকারীদের আটক করা হয়। সরকার এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং দেশটির নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে চায়।
সাধারণ ক্ষমার মাধ্যমে দেশে ফিরে গেলে ভবিষ্যতে দুবাইতে ফিরে আসার সুযোগ নির্ভর করে বিভিন্ন ফ্যাক্টরের ওপর। সাধারণত, যারা সাধারণ ক্ষমার আওতায় দেশে ফেরত যান, তাদের ওপর কিছু বিধিনিষেধ থাকতে পারে। যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মামলা না থাকে এবং তারা সকল নিয়ম মেনে চলে, তবে ভবিষ্যতে পুনরায় দুবাইতে প্রবেশের সম্ভাবনা থাকে। তবে এটি নির্ভর করে প্রবাসী শ্রম আইন এবং ইমিগ্রেশন নীতির ওপর। সঠিক তথ্যের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা উত্তম।
বাংলাদেশ কন্স্যুলেট দুবাইয়ের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন জানান, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশনে বায়োমেট্রিক্স স্ক্যান করার পর এক্সিট পারমিট ইস্যু করা হবে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশনে ভিসা রেকর্ড চেক করার পর কেউ যদি পলাতক/তা’মিম (নিয়োগকর্তা হতে পলায়ন) হয়ে থাকেন, তাহলে দেশে যাওযার জন্য এক্সিট পারমিট অথবা ভিসা নিয়মিত করার জন্য পুলিশ রিপোর্ট লাগবে।
তবে সাধারণ ক্ষমা চলাকালীন এক্সিট পারমিট নিয়ে দেশে গেলে কোনো প্রকার ব্যান/নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না। সাধারণ ক্ষমার সুবিধা প্রাপ্তির জন্য আদালত থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে।
অবৈধপথে আমিরাতে যারা প্রবেশ করেছে তারা পাসপোর্ট/বাংলাদেশি হিসেবে কোন প্রমাণক/সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসার প্রমাণক ও পূর্ববর্তী ভিসার তথ্য প্রদানপূর্বক কনস্যুলেট/দূতাবাস হতে ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন হতে এক্সিট পারমিট নিতে পারবেন।
আরো জানতে হইলে এই সাইটে দেওয়া হইল ------------


0 Comments