মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে বড় ধরনের স্বস্তির খবর এসেছে আন্তর্জাতিক বাজারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার পরই কমতে শুরু করেছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ চলাচল পুনরায় সম্ভব হতে পারে—এমন বার্তা বাজারে পৌঁছানো মাত্রই তেলের দামে তীব্র পতন দেখা যায়।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৪.৯ শতাংশ কমে ৯২.৯৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ১৬.১ শতাংশ কমে ৯৪.৭৯ ডলারে দাঁড়ায়। অর্থাৎ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাজারে বড় ধরনের চাপ কমে যায় এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যদি ইরানের ওপর হামলা বন্ধ থাকে, তাহলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ চলাচল দুই সপ্তাহের জন্য সম্ভব হবে। এই বার্তা আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে, কারণ বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের বড় একটি অংশ হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই পথ আংশিকভাবে সচল হওয়ার সম্ভাবনাই বাজারে দাম কমার বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি আপাতত বাজারে স্বস্তি আনলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। কারণ যুদ্ধবিরতি টেকসই না হলে কিংবা হরমুজে চলাচল আবার ব্যাহত হলে তেলের দাম নতুন করে বাড়তে পারে। তাই আপাতত বাজারে স্বস্তি ফিরলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি।
আন্তর্জাতিক বাজার, জ্বালানি, যুদ্ধ ও অর্থনীতির এমন আরও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
👉 https://shorturl.at/OrLxI

0 Comments