২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ঢাকা থেকে সেঞ্জেন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া আগের মতোই চলতে থাকবে,
তবে কিছু নতুন নিয়ম ও পরিবর্ধন হতে পারে, যেগুলো ভিসা নীতিমালার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করবে। তবে, সঠিক তথ্য জানার জন্য আপনাকে ইউরোপীয় দেশগুলির বাংলাদেশে অবস্থিত কনস্যুলেট বা ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইট চেক করতে হবে। কিছু সাধারণ নিয়মাবলী এখানে দেওয়া হলো:
ডাউনলোড করুন
সেঞ্জেন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া:
- আপনি যদি পর্যটন, ব্যবসা, বা পরিবারিক সফরের জন্য ভিসা চান, তাহলে সেগুলির জন্য আলাদা আলাদা আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সাধারণত, প্রথমবারের জন্য পর্যটন ভিসা বা ব্যবসা ভিসার জন্য আবেদন করা হয়।
- সেঞ্জেন ভিসার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমস্ত দেশ একই আবেদন ফর্ম ব্যবহার করে থাকে। ফর্মটি ইউরোপীয় দেশগুলোর কনস্যুলেট বা ভিসা কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করতে হবে অথবা অনলাইনে পূরণ করা যাবে।
- পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৩ মাস বৈধতা থাকা)
- সিঙ্গেল পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- ভ্রমণ পরিকল্পনা (ফ্লাইট বুকিং, হোটেল রিজার্ভেশন)
- ভিসা আবেদন ফি পরিশোধের রসিদ
- ভিসা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা ও কাজের প্রমাণ (ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির প্রমাণপত্র)
- ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স (কমপক্ষে ৩০,০০০ ইউরো কভারেজ)
আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে আবেদন:
- বর্তমানে, সিঙ্গেল বা গ্রুপ আবেদন পদ্ধতি অনুসরণ করে বাংলাদেশে সেঞ্জেন ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হয়। অনেক দেশ নিজের দেশে প্রক্রিয়া চালায়, আবার কিছু দেশ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে সেবা দেয়। সেগুলির মধ্যে VFS Global অন্যতম যেখানে সেঞ্জেন ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।
- কিছু ক্ষেত্রে, আবেদনকারীদের কনস্যুলেটে সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে, যদিও এটা সবসময় বাধ্যতামূলক নয়। আবেদনকারী যদি অতীতে সেঞ্জেন অঞ্চলে ঘুরে এসে থাকেন বা যথেষ্ট প্রমাণ দিতে পারেন, তবে সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন নাও হতে পারে।
- সেক্ষেত্রে ভিসা অনুমোদিত হলে আবেদনকারীকে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হয়, সাধারণত ১৫-২০ কার্যদিবসের মধ্যে। কখনো কখনো আরও সময় লাগতে পারে।
২০২৫ সালের আপডেট বা পরিবর্তন:
- নতুন কোনও ভিসা ফি বা নীতির পরিবর্তন হলে, সেটি আবেদন কেন্দ্র থেকে বা ইউরোপীয় কনস্যুলেটের ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হবে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো মাঝে মাঝে একত্রে নতুন নীতি তৈরি করে, যেমন ডিজিটাল ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া বা কিছু দেশ বিশেষ সেবা শুরু করতে পারে।



0 Comments